Posts

Feel Our Feeling(FOF)

''তার" ইরানি বাদ্র্যযন্ত্র

Image
 তার (ফার্সি) একটি ইরানি বাদ্র্যযন্ত্র , যা ইরান, আজারবাইজান, উজবেকিস্তান, আর্মেনিয়া, জর্জিয়া, তাজিকিস্তান সহ অনেক সংস্কৃতি এবং দেশ  ব্যবহৃত হয় ( ইরানি মালভূমি) এবং ককেশাস এবং মধ্য এশিয়া অঞ্চলের কাছাকাছি অন্যান্য। তার এর  "চারটি স্ট্রিং">

নজরুল তুর্কি, আরবি ও ফার্সি ভাষা গান থেকে সুর অনুকরন করতেন....

Image
নজরুল তুর্কি, আরবি ও ফার্সি ভাষা গান থেকে সুর অনুকরন করতেন। নজরুল  ১৯১৭  সালে সেনাবাহিনীতে  যোগ দেন। কলকাতায় ফিরে ১৯২০  সাল  থেকে কবিতা ও গান লিখে গোটা বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতা আন্দোলনে মাতিয়ে দিয়েছিলেন। সেনা বাহিনীতে থাকা দরুন তার হাতে কিছু তুর্কী, ফার্সি ও আরবি গানের ও বাদ্যযন্ত্রের রেকড আসে।  তাই শুনে শুনে তা থেকে সুর অনুকরন করা শুরু করেন। নজরুল ইসলাম  করাচি সেনানিবাসে বসে এর অধিকাংশ  লেখেন। নজরুলের গানে বিদেশী সুর। প্রথম গানটা একটি বিখ্যাত  ‘শুকনো পাতার নূপুর পায়ে’। “শুকনো পাতার নূপুর পায়ে নাচিছে ঘূর্ণি বায় জল তরঙ্গে ঝিলিমিলি ঢেউ তুলে সে যায়।“ (তুর্কি সুর) আসল তুর্কি গানটি ঃ- "Uskudara gider (স্কুদারা গীদার)" এই গানটি প্রায় ৫০০ বছরের পুরোনো। আবার একই সুর ব্যবহৃত হয়েছে একটি আরবী গানে। নজরুলের গীতিগ্রন্থে দেখা যায় “শুকনো পাতার নূপুর পায়ে” গানটির শীর্ষে নজরুলের হস্তাক্ষরে লেখা আছে ‘আরবি সুর’। অর্থাৎ তিনি আরবী গানটি থেকে হুবুহু অনুপ্রাণিত হয়েছেন । কিন্তু গানটির রেকর্ডে আরবী বা তুর্কি সুর যাই হোক কোনটাই উল্লেখ করেননি। এই গানটির রেকর্ডে লেখা আছে ‘শুকনো পাতার নূপুর পায়ে’ সুর:

প্রত্তন্ত অঞ্চলে বায়ু বিদ্যুৎ

Image
 খুব কম খরচে প্ল্যাস্টিক পাইপ,প্ল্যাস্টিক বোল, ডি/সি মোটর বা ডায়নামো ব্যবহার করে প্রত্তন্ত অঞ্চলে বায়ু বিদ্যুৎউৎপাদন করা সম্ভব মাত্র ১৫০০ টাকায়।এই প্রযুক্তিতে ৪২০০ ওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব । বাংলাদেশে নদী মাতৃক দেশ হওয়ায় এখানে রয়েছে প্রচুর চর ও দ্বীপ যেখানে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া প্রায় অসম্ভব। তাই এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে খুব কম খরচে ব্যক্তি পর্যায় বিদ্যুৎ পৌঁছান সম্ভব।

বাঁশের মণ্ডের তুলা ও সুতা

Image
 বাংলাদেশে বিএফআরআই জলবায়ুসহিষ্ণু আরও ৬টি নতুন প্রজাতির বাঁশের জাত উদ্ভাবন করেছে। এর মধ্যে দুটি জাতের বাঁশের কাণ্ড সবজি হিসেবেও খাওয়া যাবে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) গ্লোবাল ব্যাম্বু রিসোর্সেস প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রজাতিবৈচিত্র্য ও উৎপাদনগত দিক বিবেচনায় ৩৩ প্রজাতির বাঁশ নিয়ে বাংলাদেশ বর্তমানে সারাবিশ্বে অষ্টম স্থানে রয়েছে। ৫০০ প্রজাতির বাঁশ নিয়ে বিশ্বে প্রথম অবস্থানে রয়েছে চীন। ব্রাজিল ২৩২ প্রজাতি নিয়ে রয়েছে দ্বিতীয় অবস্থানে। বাঁশের তৈরি নিত্যব্যবহার্য বিভিন্ন হস্তশিল্প বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রফতানি হচ্ছে। উত্তরা ইপিজেডে তৈরি হচ্ছে বাঁশের কফিন, যা রফতানি হচ্ছে ইউরোপে। রফতানি হচ্ছে বাঁশের বাঁশি। কাগজ তৈরি হচ্ছে বাঁশ দিয়ে। বাঁশের তৈরি পণ্য পরিবেশবান্ধব হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃতি পেয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন, দুর্যোগ মোকাবেলা ও ভূমিক্ষয় রোধেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বাঁশঝাড়। বাঁশের মণ্ড থেকে বস্ত্রশিল্পের তুলা ও সুতা তৈরি হচ্ছে।চীন বিশ্বে বাঁশ ও বাঁশজাত পণ্য রফতানি করে বিপুল অর্থ আয় করছে। বাঁশের ফার্নিচার ও আসবাবপত্র পরিবেশবান্ধব। জাপানে নদীভাঙন রোধ ও বাঁধ রক্ষায় বাঁশ ব্যবহার বাধ্যতাম

কলা গাছের সুতা ও কাপড়

Image
এক্সট্রেকটর মত বিশেষ প্রক্রিয়ায় যন্ত্রের সাহায্যে কলা গাছ থেকে আঁশ বের করে আনা হয়। সেই আঁশ পরিষ্কার করে রোদে শুকিয়ে তৈরি করা হয় কলার আশ। এরপর স্পিনিং মেশিনে দিয়ে তৈরি করা হয় সুতা। সেই সুতাতেই তাঁতের সাহায্যে কাপড় তৈরি করা হয়।  কাপড়ের গুণগত মান উন্নয়নের জন্য মধুপুরে অত্যাধুনিক স্পিনিং মেশিন স্থাপন করা হয়েছে। মান সন্তোষজনক পর্যায়ে থাকলে কানাডাসহ আরও বেশকিছু দেশে এই কাপড় রপ্তানি শুরু করা যাবে বলে আশা করা যাচ্ছে।আনন্দ বিল্ডিং কমিউনিটি এন্টারপ্রাইজ অফ স্মল হোল্ডারস ইন বাংলাদেশ’ নামের একটি বেসরকারি সংস্থা ইতোমধ্যেই খাগড়াছড়িতে কলা গাছ থেকে সুতা তৈরির প্রকল্প নিয়ে কাজ শুরু করেছে। ওয়েস্ট অ্যাগ্রো এই প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা প্রদান করছে এবং জার্মান দাতা সংস্থা ওয়েলথ হাঙ্গার হিলফের অর্থায়নে প্রকল্পটির বাস্তবায়নের কাজ চলছে। কয়েকটি কানাডীয় প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ থেকে এই সুতায় তৈরি পোশাক কেনার আগ্রহ দেখিয়েছে।বর্তমানে লালমনিরহাট, জয়পুরহাট, মিঠাপুকুর, যশোর, টাঙ্গইল, খাগড়াছড়ি, ঠাকুরগাঁও সদরসহ দেশের সাত স্থানে কলাগাছ থেকে সুতা উৎপাদান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।এছাড়াও বেসরকারি সংস্থা মেন

জীবাণুবিয়োজ্য স্যানিটারি প্যাড

Image
মেয়েদের ঋতুস্রাব থেকে রক্ষার জন্য ব্যবহার্য জীবাণুবিয়োজ্য স্যানিটারি প্যাডের মূল উপাদান হলো সেলুলোজ ফাইবার।এই  সেলুলোজ ফাইবার আসে কলা গাছ , পাট ও ভুট্টার মত ফাইবার জাতীয় উদ্ভিদ থেকে।ভারতে  কলা গাছ ফাইবার থেকে জীবাণুবিয়োজ্য স্যানিটারি প্যাড তৈরি হচ্ছে । যা বাংলাদেশও উৎপাদন সম্ভব এবং দামে সাশ্রয়ী হবে ।

হোভার-বোট বা হোভারক্রাফট

Image
হোভার-বোট বা হোভারক্রাফট , যা এয়ার-কুশন যান বা এসিভি হিসাবেও পরিচিত, এটি একটি উভচর যান যা জমি, জল, কাদা, বরফ এবং অন্যান্য পৃষ্ঠতল ভ্রমণ করতে সক্ষম। যা একটি বায়ু ভর্তি ব্যাগের মাধ্যমে জলে ভাসে আর বায়ুর ঘূর্ণ্যমান টার্বাইন মাধ্যমে গতি তৈরি করে চলে ।

ডায়েট খাবারের রেস্তোঁরা

Image
রেস্তোঁরাগুলি মেনু শৈলী, প্রস্তুতির পদ্ধতি এবং মূল্য এবং সেইসাথে গ্রাহকের কাছে খাবারটি কীভাবে সরবরাহ করা হয় তার উপর নির্ভর করে।তাই বিভিন্ন আইডিয়ার দেশী-বিদেশী  মেনু শৈলীর রেস্তোঁরাগুলি গড়ে উঠেছে।কিন্তু ডায়বেটিস রোগী ও খাদ্য সচেতন ব্যক্তিদের জন্য কোন রেস্তোরা নেই । তাই দেশে এখন ডায়েট খাবার রেস্তোঁরা দরকার।নিউট্রেসিয়ানিস্ট ও সেফ মিলে এই রেস্তোরায় তৈরি করবে খাবার। গ্রাহকের চাহিদা মোতায়েক খাবার তৈরি হবে এখানে। তবে শরীলের জন্য খারাপ এরকম কোন প্রকার ইনগ্রিডেন্স এখানে ব্যবহার হবে না ।

বৈদ্যুতিক মিনি কার্গো ট্রাক

Image
বৈদ্যুতিক চালিত  মিনি কার্গো ট্রাক হচ্ছে ব্যাটারি চালিত কার্গো ট্রাক।যা দামে সস্তা  ২-৭লক্ষ্য টাকা মধ্যে । যা ৫০০-৭০০ কেজির মত ওজন বহনে সক্ষম ।চিন, যুক্তরাষ্ট্র ,জাপান এটা তৈরী হচ্ছে । সরু ও চিপা গলিতে যা খুব সহজেই চলাচল করতে পারবে।গতি ৬০-৭০ কিঃ মিঃ পার আওয়ার । বাংলাদেশেও এর উৎপাদন করা যাবে খুব সল্প মূল্যে।

ট্রাইসাইকেল (Tricycle)

Image
স্মার্ট ট্রাইসাইকেল বা আধুনিক ত্রিচক্র যান , যা আটো-রিকশা আধুনিক স্মার্ট ভার্সন । যাতে প্রাইভেট গাড়ির মতন দরজা ,এসি, অডিও , বাইক অথবা কার টাইপের ইস্টেয়ারিং আছে।যা ব্যক্তিগত ও ভাড়ায় চালনার উপযোগী। এটা ৪জন যাত্রী পরিবহন করতে পারবে । দামে সস্তা ১ লক্ষ্য টাকা থেকে ৩ লক্ষ্য টাকা হয়ে থাকে । দেশেও এর উৎপাদন সম্ভব । পেট্রল , সিএনজি, সোলার পাওয়ার ইঞ্জিন এটা চালানো যায় ।